খুঁজে বের কর

Custom Search
Shark Carnivorous Fish Animated Avatars

Sunday, 29 August 2010

বাংলা ওপেনঅফিস স্যুট

OpenOffice.org মুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় প্যাকেজ সফটওয়্যার। মাইক্রোসফট অফিসের সমকক্ষ এই সফটওয়্যার দিয়ে লেখালেখি, হিসাবনিকাশ, উপস্থাপনা, গ্রাফিক্স সহ সব কাজ করা যায়। ওপেনঅফিস.অর্গ বিশ্বের অধিকাংশ ভাষায় স্থানীয়করণকৃত করা হয়েছে এবং এটি সব ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে। বিশ্বের অধিকাংশ ভাষার মতো বাংলা ভাষায় ও একে স্থানীয়করণ কৃত করা হয়েছে। বাংলা ভাষায় স্থানীয়করণের কাজটি করেছে অঙ্কুর আইসিটি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন। অঙ্কুর কর্তৃক স্থানীয়করণকৃত বাংলা ওপেন অফিসের অন্যতম বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে, হালনাগাদ করা বাংলা ইউজার ইন্টারফেস, বাংলা বানান পরীক্ষার জন্য ৪ লক্ষাধিক শব্দের বাংলা অভিধান এবং বাংলা ভাষার সহায়িকা। অঙ্কুর কর্তৃক তৈরি কৃত ও ওপেন অফিসে বিল্ট ইন কৃত বাংলা বানান পরীক্ষক যা বাংলা ভাষায় ইউনিকোড ভিত্তিক প্রথম বানান পরীক্ষক। এই বাংলা বানান পরীক্ষকের রয়েছে প্রায় ৪ লক্ষাধিক বাংলা শব্দ। এই বানান পরীক্ষক টি বাংলা শব্দের ভুল বানান সনাক্ত করতে পারে এবং ভুল বানানের জন্য সম্ভাব্য শুদ্ধ শব্দসমূহের একটি তালিকাও দেয়।


এটি ইন্টারনেট থেকে বিনামূল্যে সংগ্রহ করে চালানো যায়। এ ছাড়া এটি অন্য যে কাউকে বিতরণ করতে কোনো রকম লাইসেন্সের প্রয়োজন হয় না। এ ছাড়া এর সঙ্গে প্রাথমিকভাবে যুক্ত করা হয়েছে বাংলা ভাষায় হাইফেন লেখার সুবিধা এবং বাংলাদেশের জন্য বাংলা লোক্যাল, যা বাংলা একাডেমীর সুপারিশ করা বর্ণানুক্রম নীতি অনুযায়ী তৈরি। এটি ডাউনলোড করা যাবে www.ankur.org.bd ওয়েবসাইটটি থেকে।

Thursday, 26 August 2010

ওপেন ডকুমেন্ট ফরম্যাট বা ODF কি এবং কেন?

অনেক সময় আমরা বন্ধু বান্ধব বা অফিসের কোন কাজে নানান ধরনের ডকুমেন্ট পাঠিয়ে থাকি। কিন্তু দেখা যায় সফটওয়্যারের ভার্সন গত কারনে ঐ ডকুমেন্ট কম্পিউটারে খোলা যায় না। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ওফিস ২০০৭ এ করা কোন ফাইল ওফিস ৯৭ এ খোলা যায় না। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উদ্দ্যেশে এমন একটি ডকুমেন্ট ফরম্যাট এর কথা চিন্তা করা হলো যা সকল ওফিস ডকুমেন্ট এ ওপেন করা যায়। এর ফলে তৈরি করা হলো ওপেন ডকুমেন্ট ফরম্যাট বা ওডিএফ (Open Document Format-ODF).
ইলেক্ট্রনিক অফিস ডকুমেন্টের একটি ফরম্যাট হলো ওপেন ডকুমেন্ট ফরম্যাট। এটি একটি ফ্রি এবং ওপেন ফরম্যাট। কোন ধরনের লাইসেন্সের ঝামেলা ছাড়াই এই ফরম্যাটে যে কেউ কিছু লিখতে পারে এবং এই ফরম্যাটে লেখা কোন কিছু যে কোন ওপেন অফিসে খোলা যায়।
বর্তমান সময়ে ওপেন ডকুমেন্ট ফরম্যাট বা ODF একটি জনপ্রিয় ও বহুল আলোচিত প্রযুক্তিগত শব্দ। ওপেন ডকুমেন্ট ফরম্যাট ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন অফিস অ্যাপ্লিকেশনের জন্য। এটি একটি XML বা Extensible Markup Language ভিত্তিক ফাইল ফরম্যাট। এই ফরম্যাট কয়েক ধরনের ফাইলকে ধারণ করে। এই ফাইলগুলো হচ্ছে- ওয়ার্ড প্রসেসিং বা শব্দ প্রক্রিয়াকরণ, স্প্রেডশিট, চার্ট, বিভিন্ন ধরণের গ্রাফিকস ইত্যাদি। এই ফরম্যাটটির উন্নয়ন সাধন করেন সান মাইক্রোসিস্টেম বা Sun Microsystems. তবে একে স্ট্যান্ডার্ড করে তোলে OASIS (Organization for the Advancement of Structured Information Standards)। মূলত এই ফরম্যাটটি করা হয়েছিল ওপেনঅফিস.অর্গ এর অফিস স্যুইট এর জন্য। পরবর্তীতে এটি ISO কর্তৃক প্রকাশিত হয়। ওডিএফ ফরম্যাটের কিছু সাধারন ফাইল এক্সটেনশন হলো- .odt ওয়ার্ড প্রসেসিংএর জন্য, .ods স্প্রেডশিটের জন্য, .odp প্রেজেনটেশনের জন্য, .odg গ্রাফিক্সের জন্য এবং .odf ফর্মূলা বা গাণিতিক সমীকরণের জন্য। ওয়েসিস শিল্প সংঘের একটি টেকনিক্যাল কমিটি
ওডিএফ এর উন্নয়ন ও আদর্শায়িত করে। এরপর সান মাইক্রোসিস্টেম এবং আইবিএম এর সাথে একটি যৌথ মিটিংএ ২০০২ সালে ডিসেম্বর মাসে এর আদর্শায়ন করে ও ২০০৫ সালে ওডিএফ ফাইল ফরম্যাট সাবমিট করা হয়।
যে সমস্ত সফটওয়্যারে এটি সাপোর্ট করে তা হলো- AbiWord, Adobe Buzzword, Atlantis Word Processor,
Aspose.Words, Google Docs, IBM Lotus Symphony, Koffice, Microsoft Office 2010/Office 2007 SP2, NeoOffice, OpenOffice.org, Sun Microsystems StarOffice, SoftMaker Office, WordPad 6.1 (Windows 7), Corel WordPerfect Office X4, Zoho Office Suite, Evince, Inkscape exports .odg
Okular, Scribus imports .odt and .odg ইত্যাদি। অর্থাৎ প্রায় সব অফিস স্যুইটই ওডিএফ ফাইল ফরম্যাট সাপোর্ট করে থাকে। এর ফলে যে কোন অফিস ডকুমেন্ট অন্য যেকোন অফিস ডকুমেন্টে খোলা যায় ও সম্পাদনা করা যায়।
ref:-
1-http://en.wikipedia.org/wiki/OpenDocument
2-http://opendocumentfellowship.com/introduction
3-http://mushfiqurahman.blogspot.com/2010/08/odf.html

Sunday, 28 March 2010

ওপেনঅফিসে বাংলা বানান পরীক্ষক

আমাদের নানা কাজে প্রায়ই কম্পিউটারে বাংলা লিখতে হয়। বাংলা যদিও আমাদের মাতৃভাষা তারপরও দেখা যায় লিখতে গেলেই নানান ভাবে ভুল হয়ে যাচ্ছে। কখনও বানানে কখনো বাক্য গঠনে। তবে বানানে ভুলই হয় সবচেয়ে বেশি। বাংলা বানানে আছে হাজারও নিয়ম, আছে হ্রস্ব ই, হ্রস্ব উ দীর্ঘ ঈ, দীর্ঘ ঊ-কার ইত্যাদির ঝামেলা।
এতো দিন কম্পিউটারে কিছু লিখতে গেলে বাংলা বানানে সবই ভুল দেখাতো, যেন বাংলায় কোন সঠিক শব্দই নেই। তবে সুখের খবর হল এখন আপনি চাইলে আপনার কম্পিউটার আপনাকে শুধুমাত্র বানান ভুল হলেই লাল কালির ঢেউ দিয়ে দেখাবে, এর  সাথে আপনি যদি চান তবে সঠিক উত্তরের জন্য একটি সাজেশন ও দিবে। আপনি ওখান থেকে আপনার কাঙ্খিত বানানটি বেছে নিতে পারবেন।
এজন্য যা করতে হবে তা হল- আপনার কম্পিউটারে ওপেনঅফিস.অর্গ ব্যবহার করতে হবে। ওপেনঅফিস .অর্গ এ বাংলা বানান পরীক্ষক এর জন্য একটি ছোট প্রোগ্রাম ওয়েব থেকে নামিয়ে নিতে হবে। যা পাওয়া যাবে

এই সাইটে। বিনামূল্যে এই সফট্ওয়ারটি আপনি নামিয়ে নিয়ে ওপেনঅফিস.অর্গ এ ইনস্টল করে নিন। ইনস্টল করতে টুল মেনু থেকে এক্সটেনশন ব্যবস্থাপক এ গিয়ে যোগ করে নিন।
tools>extention manager> এখানে যে ডায়লগ বক্স আছে তাতে আপনি নামিয়ে নেয়া সফটওয়্যারটি  add করে নিন। এবার দেখুন বাংলায় ভুল লিখলেই আপনাকে জানাচ্ছে। ওপেনঅফিস.অর্গ অন্যান্য অফিস স্যুটের মতই একটি প্রোগ্রাম যা দ্বারা আপনি অফিস প্রোগ্রামের যাবতীয় কাজই করতে পারবেন।

এছাড়া মজিলা ফায়ার ফক্স এও বাংলা বানান পরীক্ষক দিয়ে বাংলা বানান পরীক্ষা করা যাবে। এক্ষেতে  ঐ একই সাইট থেকে মজিলার জন্য  বাংলা নানান পরীক্ষক টি নামিয়ে এড অন হিসেবে ইনস্টল করে নিন।
এবার দেখুন বাংলা লেখা কত সহজ হয়ে যাচ্ছে। এই পরীক্ষকে প্রায় তিন লক্ষ শব্দ আছে যা দ্বারা সহজেই বানান শুদ্ধি করা যায়।

পিজিনের বাহ্যিক চেহারা বাংলায় রূপান্তর

পিজিনকে বাংলা ভাষায় আরম্ভ করা
আপনি যদি উইন্ডোজে পিজিন ব্যবহার করেন তবে সহজেই এর ইন্টারফেইজ বাংলায় করতে পারেন। এজন্য আপনাকে দুটি কাজ করতে হবে-
    ক. উইন্ডোজ-এর এনভায়রনমেন্ট ভেরিয়েবল পরিবর্তন করতে হবে।
    খ. উইন্ডোজের ডিসপ্লে ফন্ট বাংলা ফন্টে পরিবর্তন করতে হবে।
 ক.
1.প্রথমে My Computer আইকনটির উপর মাউসের Right Button ক্লিক করুন। সেখান থেকে Properties-এ ক্লিক করুন।
System Properties ডায়লগ বক্স দেখা যাবে।
2. System Properties ডায়লগে Advanced ট্যাবটিতে যান।
নিচের অংশে Environment Variables বোতামে ক্লিক করুন।

3.Environment Variables  ডায়লগ বক্সের System Variables অংশে New বাটনটিতে ক্লিক করুন।

4.Variable name ঘরটিতে PIDGINLANG এবং Variable value ঘরটিতে bn_bd লিখে OK বোতামে ক্লিক করুন।

5.Environment Variables ডায়লগবক্সের OK বোতাম ক্লিক করুন। System Properties ডায়লগ বক্সের OK বোতাম ক্লিক করুন।

বি.দ্র.: PIDGINlANG লেখার সময় ভাল ভাবে খেয়াল রাখতে হবে যেন সবগুলো অক্ষর ইংরেজী capital হরফে লেখা হয়।

খ.
1.ডেস্কটপের যে কোন খালি জায়গায় মাউসের ডান বোতাম ক্লিক করে প্রাসঙ্গিক মেনু থেকে Properties এ ক্লিক করুন Display Properties ডায়লগ বক্স দেখা যাবে।

2. Display Properties ডায়লগ বক্সে Appearance ট্যাবে যান।

3.Advanced বোতামে  ক্লিক করুন, Advanced Appearance  ডায়লগটি আসবে।

4.Advanced Appearance ডায়লগ থেকে Item কম্বোবক্স থেকে Active Title Bar, Icon, Inactive Title Bar, Menu, Message Box, Palette Title, Selected Items এবং ToolTip টপিকগুলো পর্যায়ক্রমে নির্বাচিত করুন।

5. Font থেকে বাংলা ফন্ট Mukti কিংবা SolaimanLipi নির্বাচন করুন।

6. Appearance ডায়লগবক্সের OK ক্লিক করুন, Display Properties ডায়লগবক্সের OK বোতাম ক্লিক করুন।
তাহলেই আপনি পিজিন এর বাহ্যিক চেহারা বাংলায় দেখতে পাবেন।

সহজেই করুন পিডিএফ (পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরমেট)

আমরা যারা নিয়মিত কম্পিউটারে কাজ করি তারা সবাই পিডিএফ এর সাথে পরিচিত। কম্পিউটারে কোন লেখা লিখে কাউকে দিতে গেলে বা প্রিন্ট করতে গেলে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় ফন্ট নিয়ে এর পর যে সমস্যায় পড়তে হয় তা হল সফটওয়্যারের ভার্সন নিয়ে। এর সমাধান পাওয়া যায় পিডিএফ ফাইল করার মধ্য দিয়ে। কিন্তু পিডিএফ করার সফটওয়্যার পাওয়ায় এক সমস্যা। ইন্টারনেটে যেগুলো বিনামূল্যে পাওয়া যায় তার আবার মেয়াদ থাকে, মেয়াদ শেষ হলেই শুরু করে ঝামেলা। হয়ত দেখা গেল আপনার মূল্যবান ফাইলের মাঝ খানে বেরসিক এক এ্যাড দিয়ে রেখেছে পিডিএফ সফটওয়্যারের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।
এ সমস্যার সমাধান করা যায় অতি সহজেই। এ জন্য আপনার কম্পিউটারে থাকতে হবে ওপেনঅফিস.অর্গ এর অফিস স্যুট। এই অফিস স্যুটে ওয়ার্ড, স্পেডশিট, প্রেজেনটেশন যাই হোক না কেন সব কিছুকেই আপনি পিডিএফ করতে পারেন।
আপনি যদি আপনার ফাইলটি মাইক্রোসফট অফিস দিয়ে ও করেন তাও আপনি পিডিএফ করতে পারেন।
কিভাবে করবেন?-
১.আপনি আপনার ফাইলটি ওপেনঅফিস.অর্গের অফিস স্যুট প্রোগ্রামের সাহায্যে ওপেন করুন।

২.টুলবার থেকে  সরাসরি পিডিএফ হিসাবে ইক্সপোর্ট করুন বোতামে ক্লিক করুন।

৩.আপনার ফাইলের একটি নাম দিন এবং কোথায় সংরক্ষণ করবেন তা ঠিক করে এক্সপোর্ট বোতামে ক্লিক করুন।
দেখুন কত সহজে হয়ে গেল পিডিএফ ফাইল।

Thursday, 25 March 2010

Flickr

This is a test post from flickr, a fancy photo sharing thing.